বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
দেশীয় ফলের বৈচিত্র্যে পঞ্চগড়ে শুরু জাতীয় ফল মেলা ২০২৬ মাইকে ঘোষণা দিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, সড়কে মিলল হাত-পা বাঁধা মরদেহ বিরিয়ানির লোভে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, গ্রেপ্তার ২ রেকর্ড টানা ১৪ বার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে ব্রাজিল হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওপর ছাত্রদলের ‘হামলার’ প্রতিবাদ শিবিরের অর্পিত সম্পত্তি কাণ্ডের প্রশ্নে উত্তপ্ত সেই ভাইরাল ভিডিও, বাস্তবে কী ঘটেছিল? ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ একজন হারালেন চোখ, আরেকজনের মাথায় ৫ সেলাই সাংবাদিক হেনস্তার পর সাদুল্লাপুরের সেই এসিল্যান্ডকে পঞ্চগড়ের বোদায় বদলি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারের একদিন পর যুবলীগ নেতার মৃত্যু মসজিদের ভেতর থেকে ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, কক্ষে মিললো চিরকুট
তেঁতুলিয়ায় কাজ ছাড়াই প্রকল্পের সাড়ে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

তেঁতুলিয়ায় কাজ ছাড়াই প্রকল্পের সাড়ে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

মনজু হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার:: পঞ্চগড়ের উপজেলায় কোনো কাজ সম্পন্ন না করেই একটি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত দাবি করেছেন কাজ সম্পন্ন হয়েছে, তবে সরেজমিনে গিয়ে এর কোনো দৃশ্যমান প্রমাণ পাওয়া যায়নি।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া বাংকুর বাড়ি থেকে নতুন ব্রিজ হয়ে হাকিমপুরে আব্দুল আজিজের বাড়ি পর্যন্ত ক্যানেলের দুই পাশে রাস্তা নির্মাণ ও মাটি ভরাটের জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। শর্ত অনুযায়ী গত বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল এবং প্রকল্প এলাকায় সাইনবোর্ড স্থাপনের নির্দেশনাও ছিল।

তবে সম্প্রতি প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ক্যানেলের দুই পাশের রাস্তার কোনো উন্নয়ন হয়নি। কোথাও কোথাও রাস্তা ভেঙে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রকল্প এলাকায় কোনো সাইনবোর্ডও দেখা যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত ৬ থেকে ৮ মাসে সেখানে কোনো ধরনের মাটির কাজ হয়নি। তাদের মতে, ক্যানেলের দুই পাশে রাস্তার কথা বলা হলেও তা বাস্তবে ব্যবহারযোগ্য নয় এবং কেউ এ পথে চলাচলও করে না।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত বছরের অক্টোবর মাসে প্রকল্পের অর্ধেক অর্থাৎ ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় কোনো কাজ না করেই সম্প্রতি বাকি টাকাও উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।


এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন ব্যক্তি আমজাদ ও বেলাল হোসেন বলেন, ক্যানেলের ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও তা কার্যত কোনো কাজে আসছে না। নতুন করে রাস্তার কাজের বরাদ্দ হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কাজের অগ্রগতি নেই।

অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসাইন বলেন, “এই প্রকল্প সম্পর্কে তৎকালীন ডিসি ও ইউএনও অবগত আছেন। আগে ক্যানেলের ওপর ব্রিজ ছিল, কিন্তু রাস্তা ছিল না। পরে ক্যানেলের দুই পাশে চলাচলের উপযোগী রাস্তা করা হয়েছে। বর্তমান বরাদ্দ সেই কাজেরই অংশ।”

এ বিষয়ে বলেন, তিনি যোগদানের আগেই ক্যানেলে ব্রিজ নির্মাণ হয়েছিল। পরে বিষয়টি নিয়ে দুদক তদন্ত করে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে ক্যানেলের দুই পাশে মাটি ভরাটের কাজ করা হয় এবং চলতি অর্থবছরে সেই কাজের জন্যই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

তবে কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় প্রকল্পের অর্থ ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com